সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবপুরের সাধারচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জহিরুল হকের শোডাউন। মাধবদীতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন পলাশে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে মোটরসাইকেল চুরি জেলা পুলিশ, নরসিংদীর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত পলাশের জিনারদীতে প্রফেসর কামরুল ইসলাম গাজীর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার সারা দেশে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি দুনিয়া প্রবাসের ঘরঃ প্রিয় ভাই, বন্ধুঃ একদিন তোমার দুনিয়াকে ছাড়িয়া যাইতেই হইবে; সুতরাং ইহা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই : তথ্যমন্ত্রী পলাশের জিনারদীতে প্রফেসর কামরুল ইসলাম গাজীর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত। নরসিংদীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করে মোহনের জবানবন্দি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৭ বার দেখেছে

স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে ঢাকার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা মোহন চন্দ্র দাস। আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আসামি মোহনের জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

গত শুক্রবার গভীর রাতে কামরাঙ্গীরচরের নয়াগাঁও এলাকার একটি বাসায় ঘুমের মধ্যে ফুলবাসী রানী দাস ও তাঁর মেয়ে সুমী রানী দাসকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ফুলবাসীর বোন বিশাখাবাসী রানী দাস বাদী হয়ে মোহন চন্দ্র দাসকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোহনের মেয়ে ঝুমা রানী দাস ঢাকার আদালতে গতকাল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আরও পড়ুন
কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
নিজের স্ত্রী ও মেয়েকে কেন মোহন খুন করেছেন, সে ব্যাপারে জানতে চাইলে কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আসামি মোহন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং কাজ না থাকায় হতাশায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আর্থিক টানাপোড়েনের জেরে স্ত্রী ফুলবাসীকে মারধরও করেছিলেন। কয়েক বছর আগে স্ত্রী ফুলবাসী নিজের কিছু স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ৩০ হাজার টাকা মোহনের কাছে তুলে দেন। মোহন সেই টাকা ধার দেন তাঁর এক মামার কাছে। সেই মামা বিদেশে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরে মোহন কাজও পাচ্ছিলেন না। ঈদের আগেও একজনের কাছ থেকে এক হাজার টাকা ঋণ নেন।

কীভাবে খুন করেন, সে ব্যাপারে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাত একটা থেকে দুইটার মধ্যে কোনো এক সময় ঘুমন্ত ফুলবাসীকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মোহন। আর রাত চারটার দিকে ছোট মেয়ে সুমীকে একইভাবে হত্যা করেন।

সুমীকে শ্বাসরোধের সময় তার দাপাদাপিতে পা লেগে ঘুম ভেঙে যায় পাশে শোয়া বড় বোন ঝুমার। হঠাৎ জেগে গিয়ে ঝুমা ঘরের আলো জ্বালায়। সে দেখতে পায়, মোহন সুমীর মুখ পলিথিন দিয়ে আটকিয়ে রেখেছে। তখন তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফুলবাসী ও সুমীর মরদেহ উদ্ধার করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ