ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা:
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন দ্বীন ইসলাম:
জানা গেছে, দ্বীন ইসলাম তার অনলাইন পেজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। মাদকের সাথে জড়িত কাউকে তিনি ছাড় দিতেন না। এই সাহসিকতার কারণে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের সাথে তার চরম বিরোধ তৈরি হয়। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি গত কিছু দিন ধরে কুমিল্লা শহরে বাসা ভাড়া করে বসবাস করছিলেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিবারের সাথে সময় কাটাতে তিনি বাড়িতে এসেছিলেন, আর সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়।
দেশজুড়ে সাংবাদিক মহলে শোক ও ক্ষোভ:
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন এক যৌথ বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “এভাবে একজন প্রতিবাদী সাংবাদিককে পিটিয়ে মেরে ফেলা গোটা দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। দ্বীন ইসলাম মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে শত্রু তৈরি করেছিলেন। যারা তার পূর্ব শত্রু ছিল, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করলেই প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে।” বিএমএসএফ-এর পক্ষ থেকে অবিলম্বে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের পর চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষ এই মেধাবী তরুণের অকাল মৃত্যুতে শোকাহত এবং দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন।










