ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীতে অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আহত ১

নিজস্ব প্রতিনিধি

নরসিংদীর পলাশে অটোরিকশার ভাড়া করা নিয়ে বিরোধের জেরে সুমন মিয়া (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে তার বাবা আলম মিয়া। সোমবার (১০ মার্চ) রাতে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, বিকেলে জয়নগর বাজারে নিহতের চাচা মুকুল মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশি আয়ুব মিয়া, মোমেন, তারেক, দেলোয়ারসহ চার থেকে পাঁচ জনের সঙ্গে একটি অটোরিকশা ভাড়া করা নিয়ে ঝগড়া হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মুকুল মিয়ার বাড়িতে হামলা করতে যায়। এ সময় হইচই শুনে প্রতিবেশী সুমন ও তার বাবা আলম মিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে কি হয়েছে দেখতে যায়। পরে তাদের সামনে পেয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার নরসিংদী ১০০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া হামলায় আহত আলম মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

১০০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত হাসান বলেন, ‘রাতে আমাদের এখানে দুইজন রোগী গুরুতর আহত অবস্থায় আসেন। তাদের মধ্যে সুমন নামে একজনকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের বাবা আলম মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

পলাশ থানার ওসি মনির হোসেন জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আটকে অভিযান চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১২:১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
৬০ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আহত ১

আপডেট সময় ১২:১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

নরসিংদীর পলাশে অটোরিকশার ভাড়া করা নিয়ে বিরোধের জেরে সুমন মিয়া (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে তার বাবা আলম মিয়া। সোমবার (১০ মার্চ) রাতে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, বিকেলে জয়নগর বাজারে নিহতের চাচা মুকুল মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশি আয়ুব মিয়া, মোমেন, তারেক, দেলোয়ারসহ চার থেকে পাঁচ জনের সঙ্গে একটি অটোরিকশা ভাড়া করা নিয়ে ঝগড়া হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মুকুল মিয়ার বাড়িতে হামলা করতে যায়। এ সময় হইচই শুনে প্রতিবেশী সুমন ও তার বাবা আলম মিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে কি হয়েছে দেখতে যায়। পরে তাদের সামনে পেয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার নরসিংদী ১০০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া হামলায় আহত আলম মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

১০০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত হাসান বলেন, ‘রাতে আমাদের এখানে দুইজন রোগী গুরুতর আহত অবস্থায় আসেন। তাদের মধ্যে সুমন নামে একজনকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের বাবা আলম মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

পলাশ থানার ওসি মনির হোসেন জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আটকে অভিযান চলছে।