ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিবপুরে নিখোঁজের ৬ দিন পর ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি
নরসিংদীর শিবপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর সোহেল রানা নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ মার্চ) দুপুরে শিবপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের ভূরবুড়িয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সোহেল রানা (২৫) শিবপুর উপজেলার জগৎপুরের ছেদু মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন রিকশাচালক।
নিহতের মা কোহিনুর বেগম জানান, তার ছেলে সোহেল রানা গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইফতার শেষ করে রিকশা নিয়ে বের হয়। পরে ভূরবুড়িয়া এলাকার একটি সেতু সংলগ্ন স্থানে তার রিকশাটি পাওয়া গেলেও সোহেলের কোনো খোঁজ মেলেনি। ছয় দিন পর বুধবার পুলিশ ফোন করে মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায়।
তিনি বলেন, “আমার ছেলের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা তাকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে রেখেছে, তা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও জানান, “দেহ অর্ধগলিত থাকায় গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।”
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
৭৭ বার পড়া হয়েছে

শিবপুরে নিখোঁজের ৬ দিন পর ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
নরসিংদীর শিবপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর সোহেল রানা নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ মার্চ) দুপুরে শিবপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের ভূরবুড়িয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সোহেল রানা (২৫) শিবপুর উপজেলার জগৎপুরের ছেদু মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন রিকশাচালক।
নিহতের মা কোহিনুর বেগম জানান, তার ছেলে সোহেল রানা গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইফতার শেষ করে রিকশা নিয়ে বের হয়। পরে ভূরবুড়িয়া এলাকার একটি সেতু সংলগ্ন স্থানে তার রিকশাটি পাওয়া গেলেও সোহেলের কোনো খোঁজ মেলেনি। ছয় দিন পর বুধবার পুলিশ ফোন করে মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায়।
তিনি বলেন, “আমার ছেলের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা তাকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে রেখেছে, তা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও জানান, “দেহ অর্ধগলিত থাকায় গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।”