ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

 কে.এইচ. নজরুল ইসলাম

নরসিংদী শহরের সাটিরপাড়া এলাকায় আপন ছোট ভাইয়ের হাতে আল আমিন (৩০) নামের এক মিশুক চালক খু/ন হয়েছেন। শনিবার (২ মে) সকালে একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে প্রকাশ্যে এই ব/র্বরো/চিত হ/ত্যাকা/ণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘা/তক ছোট ভাই হাসানসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নি/হ/ত আল আমিন ও ঘাতক হাসান রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের নুর ইসলামের ছেলে। তারা সপরিবারে শহরের চৌয়ালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মিশুক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্বজনরা জানায়, হাসান ও আল আমিনরা ৫ ভাই ও ২ বোন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের বোন দুই সন্তানের জননী তাসলিমা বেগমকে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল চৌয়ালা এলাকার হাবিবের ছেলে নাইম। কিন্তু নাইমের প্রেমের প্রস্তাবে বরাবরই অস্বীকৃতি জানান তাসলিমা। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নাইমের সঙ্গে তাসলিমার ভাইদের বিরোধ চলছিল। এমনকি এই বিরোধে নাইমের ভ/য়ে তারা গ্রামের বাড়িতেও চলে যায়।
তিনদিন আগে তাসলিমার বড় ভাই আল আমিন নাইমের সঙ্গে বসে ওই ঘটনা মীমাংসা করে চৌয়ালার একটি ভাড়া বাসায় উঠে। কিন্তু তার ছোট ভাই হাসান এটা মেনে নিতে পারেনি। ক্ষোভে তিনি আল আমিনকে হম/কি দিয়েছিলেন, ‘তোর র/ক্ত দিয়ে আমি গোসল করমু’।
সবশেষ শনিবার সকালে আল আমিন বাজার করতে বের হলে সাটিরপাড়া আজাদ ফিলিং স্টেশনের সামনে হাসান তাকে কেঁচি দিয়ে পেটে একাধিক আ/ঘা/ত করেন। গু/রু/তর আহত অবস্থায় তাকে উ/দ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ/ত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, আল আমিনের পেটে একাধিক গভীর আ/ঘা/তের চিহ্ন রয়েছে এবং অতিরিক্ত র/ক্তক্ষ/রণের কারণেই তার মৃ/ত্যু হয়েছে।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানান, হ/ত্যাকা/ণ্ডের ঘটনায় ঘা/তক ছোট ভাই হাসান ও নাইমকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
৩৬ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

আপডেট সময় ০৭:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

নরসিংদী শহরের সাটিরপাড়া এলাকায় আপন ছোট ভাইয়ের হাতে আল আমিন (৩০) নামের এক মিশুক চালক খু/ন হয়েছেন। শনিবার (২ মে) সকালে একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে প্রকাশ্যে এই ব/র্বরো/চিত হ/ত্যাকা/ণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘা/তক ছোট ভাই হাসানসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নি/হ/ত আল আমিন ও ঘাতক হাসান রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের নুর ইসলামের ছেলে। তারা সপরিবারে শহরের চৌয়ালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মিশুক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্বজনরা জানায়, হাসান ও আল আমিনরা ৫ ভাই ও ২ বোন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের বোন দুই সন্তানের জননী তাসলিমা বেগমকে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল চৌয়ালা এলাকার হাবিবের ছেলে নাইম। কিন্তু নাইমের প্রেমের প্রস্তাবে বরাবরই অস্বীকৃতি জানান তাসলিমা। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নাইমের সঙ্গে তাসলিমার ভাইদের বিরোধ চলছিল। এমনকি এই বিরোধে নাইমের ভ/য়ে তারা গ্রামের বাড়িতেও চলে যায়।
তিনদিন আগে তাসলিমার বড় ভাই আল আমিন নাইমের সঙ্গে বসে ওই ঘটনা মীমাংসা করে চৌয়ালার একটি ভাড়া বাসায় উঠে। কিন্তু তার ছোট ভাই হাসান এটা মেনে নিতে পারেনি। ক্ষোভে তিনি আল আমিনকে হম/কি দিয়েছিলেন, ‘তোর র/ক্ত দিয়ে আমি গোসল করমু’।
সবশেষ শনিবার সকালে আল আমিন বাজার করতে বের হলে সাটিরপাড়া আজাদ ফিলিং স্টেশনের সামনে হাসান তাকে কেঁচি দিয়ে পেটে একাধিক আ/ঘা/ত করেন। গু/রু/তর আহত অবস্থায় তাকে উ/দ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ/ত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, আল আমিনের পেটে একাধিক গভীর আ/ঘা/তের চিহ্ন রয়েছে এবং অতিরিক্ত র/ক্তক্ষ/রণের কারণেই তার মৃ/ত্যু হয়েছে।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানান, হ/ত্যাকা/ণ্ডের ঘটনায় ঘা/তক ছোট ভাই হাসান ও নাইমকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।