ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীতে শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি সবুজ গ্রেপ্তার”

স্টাফ রিপোর্টার

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছরের শিশু রামিমকে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে নরসিংদী জেলা পুলিশ। ২০শে মে,২০২৬ ভোররাতে জেলার আরশিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সবুজ মিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের বাসিন্দা।

গত ৬ই মে,২০২৬ গজারিয়া বাজারে একটি অটোরিকশার গ্যারেজে শিশু রামিমের পায়ুপথ ও মুখে হাওয়া মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয় সবুজসহ চার যুবক। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে চারজনকে অভিযুক্ত করে পলাশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি সবুজ মিয়া পলাতক ছিলেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আজ ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পলাশ থানা পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
২৬ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি সবুজ গ্রেপ্তার”

আপডেট সময় ০৮:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছরের শিশু রামিমকে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে নরসিংদী জেলা পুলিশ। ২০শে মে,২০২৬ ভোররাতে জেলার আরশিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সবুজ মিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের বাসিন্দা।

গত ৬ই মে,২০২৬ গজারিয়া বাজারে একটি অটোরিকশার গ্যারেজে শিশু রামিমের পায়ুপথ ও মুখে হাওয়া মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয় সবুজসহ চার যুবক। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে চারজনকে অভিযুক্ত করে পলাশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি সবুজ মিয়া পলাতক ছিলেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আজ ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পলাশ থানা পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।